Dhaka ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত মিথিলার পর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধি সামিরা তথ্য ও পরিসংখ্যান একটি সরকারের ব্যালেন্স শিটের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ : অর্থমন্ত্রী ঋতুস্রাবের সময় যেভাবে স্ত্রী রাশমিকার যত্ন নেন বিজয় রামগতি ও কমলনগরে ৩১ কোটি টাকার বেড়িবাঁধ নির্মাণ: নিম্নমানের ইট অপসারণ করে দ্রুত ও মানসম্মত কাজ করছে বি জে কোম্পানি সাংবাদিকদের ‘রোষানলে’ পরীমনি, চট্টগ্রামের অনুষ্ঠান থেকে ‘বাদ’ ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি,আলোচনা সভা অবহেলিত সিনেমা জিতল ১৮টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার, দর্শকদের কাঁদাচ্ছে ‘পায়ার’ শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে আসার পথে অসুস্থ হয়ে দুজনের মৃত্যু

ঋতুস্রাবের সময় যেভাবে স্ত্রী রাশমিকার যত্ন নেন বিজয়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ Time View






অনলাইন ডেস্ক : ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ঋতুস্রাবকালীন শারীরিক যন্ত্রণা, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং বিনোদন অঙ্গনে এই সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ঋতুস্রাবের সময়ে তাঁর স্বামী ও অভিনেতা বিজয় দেবরাকোন্ডা কীভাবে তাঁর পাশে থাকেন। একই সঙ্গে রূপালি জগতের কাজের পরিবেশে ‘পিরিয়ড লিভ’ বা ঋতুস্রাবকালীন ছুটির প্রয়োজনীয়তা নিয়েও কথা বলেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘মিড-ডে’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাশমিকা বলেন, ঋতুস্রাবজনিত শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তির সময়ে তাঁর স্বামী বিজয়ের সহানুভূতিশীল মনোভাব তাঁর জন্য বড় স্বস্তির কারণ। বিজয় দেবরাকোন্ডার বেড়ে ওঠার পরিবেশে ঋতুস্রাব নিয়ে খুব একটা আলোচনা না হলেও তিনি বিষয়টিকে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করেন বলে উল্লেখ করেন ‘ককটেল ২’ খ্যাত এই অভিনেত্রী।

রাশমিকা বলেন, ‘আমার মন খারাপ থাকলে বা শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে আমি তাকে আগেই জানিয়ে রাখি যে, আর কয়েক দিনের মধ্যেই আমার পিরিয়ড শুরু হবে। একজন পুরুষ হিসেবে এর চেয়ে বেশি তো তার করার কিছু নেই, তারা তো গর্ভাশয় শরীর থেকে বের করে নিতে পারবে না। তবে সে যে পাশে আছে, এই অনুভূতিটাই অনেক বড় মানসিক শান্তি দেয়।’

তিনি আরও জানান, যন্ত্রণার সময়গুলোতে তাঁর অস্বস্তি কমাতে বিজয় তাঁর পেটে ও হাতে-পায়ে মালিশ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর পাশাপাশি ঋতুস্রাবের যন্ত্রণা সামলাতে গরম পানি প্যাড (হট প্যাড) ব্যবহার করা এবং জিরা পানি পান করার মতো পারিবারিক উপকরণের কথা উল্লেখ করেন রাশমিকা।

নিজের জীবনের প্রথম ঋতুস্রাবের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রাশমিকা জানান, অল্প বয়সে সচেতনতার অভাবে তিনি মারাত্মক ভয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমার স্পষ্ট মনে আছে, আমি তোয়ালে ভাঁজ করে প্যাড হিসেবে ব্যবহার করতাম। কারণ সানিটারি প্যাড বলে যে কিছু আছে, তা আমার জানাই ছিল না। কোনো এক অজানা কারণে আমার মনে হয়েছিল এটি হয়তো জীবনে একবারই ঘটে।’

প্রতি মাসে ঋতুস্রাবকালীন তীব্র যন্ত্রণায় ভোগেন জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, প্রতিবারই এই সময়টি আসার আগে তিনি একধরনের দুশ্চিন্তায় থাকেন।

সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত বিষয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র অঙ্গনের কাজের পরিবেশ নিয়েও কথা বলেন রাশমিকা মান্দানা। তিনি জানান, বর্তমানে সিনেমা জগতের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নারীদের উপস্থিতি বাড়লেও ঋতুস্রাবকালীন ছুটির নীতি এখনো শুটিং সেটে পৌঁছায়নি।

রাশমিকা বলেন, ‘চলচ্চিত্র শিল্পে নারীরা এখন বিশিষ্ট স্থানে কাজ করছেন, কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, ঋতুস্রাবকালীন ছুটির সুবিধা ছাড়াই নারীদের দিনের পর দিন কাজ করে যেতে হচ্ছে। আর এটিকেই কাজের স্বাভাবিক নিয়ম হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে।’

সামাজিক ট্যাবু ভেঙে ঋতুস্রাবের শারীরিক ও মানসিক প্রভাব এবং শুটিং সেটে নারীদের কাজের অনুকূল পরিবেশ তৈরি নিয়ে রাশমিকার এই বক্তব্য ভারতীয় বিনোদন মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।

Bangla Photocard Generatorv3.7
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

ঋতুস্রাবের সময় যেভাবে স্ত্রী রাশমিকার যত্ন নেন বিজয়

Update Time : ০১:০৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬






অনলাইন ডেস্ক : ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ঋতুস্রাবকালীন শারীরিক যন্ত্রণা, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং বিনোদন অঙ্গনে এই সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ঋতুস্রাবের সময়ে তাঁর স্বামী ও অভিনেতা বিজয় দেবরাকোন্ডা কীভাবে তাঁর পাশে থাকেন। একই সঙ্গে রূপালি জগতের কাজের পরিবেশে ‘পিরিয়ড লিভ’ বা ঋতুস্রাবকালীন ছুটির প্রয়োজনীয়তা নিয়েও কথা বলেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘মিড-ডে’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাশমিকা বলেন, ঋতুস্রাবজনিত শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তির সময়ে তাঁর স্বামী বিজয়ের সহানুভূতিশীল মনোভাব তাঁর জন্য বড় স্বস্তির কারণ। বিজয় দেবরাকোন্ডার বেড়ে ওঠার পরিবেশে ঋতুস্রাব নিয়ে খুব একটা আলোচনা না হলেও তিনি বিষয়টিকে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করেন বলে উল্লেখ করেন ‘ককটেল ২’ খ্যাত এই অভিনেত্রী।

রাশমিকা বলেন, ‘আমার মন খারাপ থাকলে বা শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে আমি তাকে আগেই জানিয়ে রাখি যে, আর কয়েক দিনের মধ্যেই আমার পিরিয়ড শুরু হবে। একজন পুরুষ হিসেবে এর চেয়ে বেশি তো তার করার কিছু নেই, তারা তো গর্ভাশয় শরীর থেকে বের করে নিতে পারবে না। তবে সে যে পাশে আছে, এই অনুভূতিটাই অনেক বড় মানসিক শান্তি দেয়।’

তিনি আরও জানান, যন্ত্রণার সময়গুলোতে তাঁর অস্বস্তি কমাতে বিজয় তাঁর পেটে ও হাতে-পায়ে মালিশ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর পাশাপাশি ঋতুস্রাবের যন্ত্রণা সামলাতে গরম পানি প্যাড (হট প্যাড) ব্যবহার করা এবং জিরা পানি পান করার মতো পারিবারিক উপকরণের কথা উল্লেখ করেন রাশমিকা।

নিজের জীবনের প্রথম ঋতুস্রাবের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রাশমিকা জানান, অল্প বয়সে সচেতনতার অভাবে তিনি মারাত্মক ভয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমার স্পষ্ট মনে আছে, আমি তোয়ালে ভাঁজ করে প্যাড হিসেবে ব্যবহার করতাম। কারণ সানিটারি প্যাড বলে যে কিছু আছে, তা আমার জানাই ছিল না। কোনো এক অজানা কারণে আমার মনে হয়েছিল এটি হয়তো জীবনে একবারই ঘটে।’

প্রতি মাসে ঋতুস্রাবকালীন তীব্র যন্ত্রণায় ভোগেন জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, প্রতিবারই এই সময়টি আসার আগে তিনি একধরনের দুশ্চিন্তায় থাকেন।

সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত বিষয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র অঙ্গনের কাজের পরিবেশ নিয়েও কথা বলেন রাশমিকা মান্দানা। তিনি জানান, বর্তমানে সিনেমা জগতের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নারীদের উপস্থিতি বাড়লেও ঋতুস্রাবকালীন ছুটির নীতি এখনো শুটিং সেটে পৌঁছায়নি।

রাশমিকা বলেন, ‘চলচ্চিত্র শিল্পে নারীরা এখন বিশিষ্ট স্থানে কাজ করছেন, কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, ঋতুস্রাবকালীন ছুটির সুবিধা ছাড়াই নারীদের দিনের পর দিন কাজ করে যেতে হচ্ছে। আর এটিকেই কাজের স্বাভাবিক নিয়ম হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে।’

সামাজিক ট্যাবু ভেঙে ঋতুস্রাবের শারীরিক ও মানসিক প্রভাব এবং শুটিং সেটে নারীদের কাজের অনুকূল পরিবেশ তৈরি নিয়ে রাশমিকার এই বক্তব্য ভারতীয় বিনোদন মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।

Bangla Photocard Generatorv3.7