Dhaka ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
১০১ মোমবাতির আলোয় ঋত্বিকের স্মৃতি, অপেক্ষায় বসতভিটা সংরক্ষণ বাঘায় কোডিনযুক্ত সিরাপ ও বিদেশি মদ উদ্ধার বাগমারায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বিধবার পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও রাজশাহী রেঞ্জের নতুন ডিআইজি মীর আশরাফ আলী রামেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন ভূমিমন্ত্রী মিনু ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে হেফাজতে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ আধুনিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১৯ বছরেই এমবাপ্পেকে টপকে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল আমজনতার তারেকের ভিডিও শেয়ার করে যা বললেন মাসুদ সাঈদী ‘বেতনের কথা বলতেই বের করে দেওয়া হয়’, পারিশ্রমিকের জন্য কী হয়েছিল ছোটপর্দার

ট্রাম্প – বাংলার আলো প্রতিদিন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২১৪ Time View

ঢাকা, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলে বলপ্রয়োগের ইঙ্গিত দেন। স্বায়ত্তশাসিত এই আর্কটিক দ্বীপের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব তিনি কার্যত উপেক্ষা করেন। ওয়াশিংটন থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

হোয়াইট হাউসে তেল খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমরা কিছু একটা করব—তারা পছন্দ করুক বা না করুক।’ ওই বৈঠকে ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্টকে উৎখাত করেছে।

গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি একটি চুক্তি করতে চাই—সহজ পথে। কিন্তু সহজ পথে না হলে আমরা কঠিন পথেই যাব।’

খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য, আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের বাড়তে থাকা সামরিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘আমরা রাশিয়া বা চীনকে গ্রিনল্যান্ড দখল করতে দেব না। আমরা যদি না করি, তারা সেটাই করবে। তাই গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমরা কিছু একটা করব—হোক তা সুন্দরভাবে, না হলে আরও কঠিনভাবে।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীন উভয়ই সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। তবে বিশাল বরফাচ্ছাদিত এই দ্বীপের ওপর কোনো দেশই আনুষ্ঠানিক দাবি করেনি।

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি থাকলেও, দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকিতে ডেনমার্ক ও অন্যান্য ইউরোপীয় মিত্ররা বিস্ময় প্রকাশ করেছে।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে আগ্রাসন হলে ‘সবকিছুর অবসান’ ঘটবে—এর মধ্যে ন্যাটো ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামোও অন্তর্ভুক্ত।

ডেনমার্কের উদ্বেগকে হালকাভাবে নেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘনিষ্ঠ মিত্র ২০০৩ সালে বিতর্কিত ইরাক আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে ছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘ডেনমার্কের প্রতিও আমি অনুরাগী। সত্যি বলতে কী, তারা আমার সঙ্গে খুব ভালো আচরণ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু ৫০০ বছর আগে সেখানে তাদের একটি নৌকা ভিড়েছিল—এটাই তো প্রমাণ নয় যে তারা ওই ভূমির মালিক।’

আগামী সপ্তাহে ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

সুত্র; বাসস

Bangla Photocard Generatorv3.7
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

১০১ মোমবাতির আলোয় ঋত্বিকের স্মৃতি, অপেক্ষায় বসতভিটা সংরক্ষণ

ট্রাম্প – বাংলার আলো প্রতিদিন

Update Time : ০২:০৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ঢাকা, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলে বলপ্রয়োগের ইঙ্গিত দেন। স্বায়ত্তশাসিত এই আর্কটিক দ্বীপের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব তিনি কার্যত উপেক্ষা করেন। ওয়াশিংটন থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

হোয়াইট হাউসে তেল খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমরা কিছু একটা করব—তারা পছন্দ করুক বা না করুক।’ ওই বৈঠকে ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্টকে উৎখাত করেছে।

গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি একটি চুক্তি করতে চাই—সহজ পথে। কিন্তু সহজ পথে না হলে আমরা কঠিন পথেই যাব।’

খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য, আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের বাড়তে থাকা সামরিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘আমরা রাশিয়া বা চীনকে গ্রিনল্যান্ড দখল করতে দেব না। আমরা যদি না করি, তারা সেটাই করবে। তাই গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমরা কিছু একটা করব—হোক তা সুন্দরভাবে, না হলে আরও কঠিনভাবে।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীন উভয়ই সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। তবে বিশাল বরফাচ্ছাদিত এই দ্বীপের ওপর কোনো দেশই আনুষ্ঠানিক দাবি করেনি।

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি থাকলেও, দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকিতে ডেনমার্ক ও অন্যান্য ইউরোপীয় মিত্ররা বিস্ময় প্রকাশ করেছে।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে আগ্রাসন হলে ‘সবকিছুর অবসান’ ঘটবে—এর মধ্যে ন্যাটো ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামোও অন্তর্ভুক্ত।

ডেনমার্কের উদ্বেগকে হালকাভাবে নেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘনিষ্ঠ মিত্র ২০০৩ সালে বিতর্কিত ইরাক আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে ছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘ডেনমার্কের প্রতিও আমি অনুরাগী। সত্যি বলতে কী, তারা আমার সঙ্গে খুব ভালো আচরণ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু ৫০০ বছর আগে সেখানে তাদের একটি নৌকা ভিড়েছিল—এটাই তো প্রমাণ নয় যে তারা ওই ভূমির মালিক।’

আগামী সপ্তাহে ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

সুত্র; বাসস

Bangla Photocard Generatorv3.7