Dhaka ০৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
৫০ বছরের ছোট নায়িকার সঙ্গে জুটি বাঁধছেন রজনীকান্ত পরিচালকের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, যা বললেন দীঘি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন রোনালদো তানজিন তিশার সদস্যপদ স্থগিত করলো অভিনয়শিল্পী সংঘ চিকিৎসার অজুহাতে ডাক্তারকে ফ্ল্যাটে ডেকে যা করলেন অভিনেত্রী টিভিতে আজকের খেলা – সময়ের কথা ২৪ রাজধানীতে চালু হচ্ছে দুটি মনোরেল, চলবে যেসব রুটে স্বাধীন, শক্তিশালী ও দুর্নীতিমুক্ত বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান আইনমন্ত্রীর সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের স্কাউটিংয়ের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: আসাদুল হাবিব দুলু

কাশিয়াডাঙ্গা থানাকে শিশুবান্ধব করতে নাগরিকদের মতামত গ্রহণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৯ Time View

স্টাফ রিপোর্টার : সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতাদের মতামতের ভিত্তিতে রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার সেবার সমস্যা ও ঘাটতি চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের জন্য থানাকে আরও নিরাপদ, সহায়ক ও আস্থার জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে নাগরিকদের মতামতের ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় নগরের কারিতাস আঞ্চলিক কার্যালয়ের হলরুমে ‘অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন ও কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজশাহী শহর এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এডিপি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় শিশু, অভিভাবক, পুলিশ-প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতা, শিশু ও যুব প্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, ২০১৩ সালের শিশু আইন অনুযায়ী থানাকে শিশুবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে নির্ধারিত মানদণ্ড বাস্তবায়ন জরুরি। শুধু অবকাঠামোগত পরিবর্তন নয়, শিশুদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের আচরণ, নিরাপত্তা, দ্রুত সেবা, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করাও শিশুবান্ধব থানার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

সিটিজেন ভয়েস অ্যান্ড অ্যাকশন (সিভিএ) কার্যক্রমের আওতায় কাশিয়াডাঙ্গা থানার সেবা গ্রহণকারী নারী, পুরুষ, বালক ও বালিকাদের অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করা হয়। ওই মূল্যায়নে পাওয়া মতামত ও সেবার ঘাটতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, সিভিএ কার্যক্রমের চারটি ধাপের শেষ ধাপ হলো ইন্টারফেস সভা। এ সভার মাধ্যমে সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতাদের মতামত এক জায়গায় এনে বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করা হয়। পাশাপাশি কোন সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়া হয়। এসব মতামতের ভিত্তিতেই শিশুদের জন্য আরও নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

সভায় শিশুদের মানসিক সহায়তার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। নির্যাতন, নিখোঁজ, পারিবারিক সংকট কিংবা অন্য কোনো ঝুঁকির মধ্যে পড়া শিশু থানায় এলে শুধু আইনি সহায়তা নয়, তার মানসিক অবস্থার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শিশুদের সঙ্গে সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের আরও সচেতন করার কথা বলা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (কাশিয়াডাঙ্গা) মীর মো. শাফিন মাহমুদ বলেন, শিশুদের জন্য থানাকে আরও নিরাপদ, সহায়ক ও আস্থার জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ কাজ করছে। কোনো সংকটে শিশু থানায় এলে যাতে ভয় না পায় এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পায়, সে জন্য পুলিশ সদস্যদের আরও সংবেদনশীল হতে হবে। সভায় উঠে আসা বাস্তবসম্মত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আশ্বাস দেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেশন অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার লোটাস চিসিম বলেন, শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিশু, পুলিশ, প্রশাসন ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সিভিএ কার্যক্রমের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবভিত্তিক পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফরহাদ আলী বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে থানা থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। শিশুদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও মানবিক ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের সচেতন করা হচ্ছে।

জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল কাদির বলেন, শিশুরা যাতে থানায় এসে নিজেদের নিরাপদ মনে করে, সে জন্য পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। শিশুদের মতামত ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে থানার সেবা সাজানো গেলে শিশুবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ আরও কার্যকর হবে।

রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু পুলিশের দায়িত্ব নয়; পরিবার ও সমাজের প্রত্যেক স্তরের মানুষকে এ কাজে যুক্ত হতে হবে। শিশুদের প্রয়োজন ও সমস্যার কথা শিশুদের কাছ থেকেই শুনে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হলে তা বেশি কার্যকর হবে। শিশুর অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতেও গণমাধ্যম দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজশাহী শহর এডিপির প্রোগ্রাম অফিসার রিপন হালদার। এ সময় সিনিয়র সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রাজশাহীর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নীলু বেগম, প্রোগ্রাম অফিসার ফিলিপ আরিন্দা, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মোসা. শারমিন সুরভী আক্তার ও অর্জুন রায়সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।


Post Views: 51

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।

Bangla Photocard Generatorv3.7
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

৫০ বছরের ছোট নায়িকার সঙ্গে জুটি বাঁধছেন রজনীকান্ত

কাশিয়াডাঙ্গা থানাকে শিশুবান্ধব করতে নাগরিকদের মতামত গ্রহণ

Update Time : ০৮:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতাদের মতামতের ভিত্তিতে রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার সেবার সমস্যা ও ঘাটতি চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের জন্য থানাকে আরও নিরাপদ, সহায়ক ও আস্থার জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে নাগরিকদের মতামতের ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় নগরের কারিতাস আঞ্চলিক কার্যালয়ের হলরুমে ‘অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন ও কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজশাহী শহর এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এডিপি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় শিশু, অভিভাবক, পুলিশ-প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতা, শিশু ও যুব প্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, ২০১৩ সালের শিশু আইন অনুযায়ী থানাকে শিশুবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে নির্ধারিত মানদণ্ড বাস্তবায়ন জরুরি। শুধু অবকাঠামোগত পরিবর্তন নয়, শিশুদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের আচরণ, নিরাপত্তা, দ্রুত সেবা, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করাও শিশুবান্ধব থানার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

সিটিজেন ভয়েস অ্যান্ড অ্যাকশন (সিভিএ) কার্যক্রমের আওতায় কাশিয়াডাঙ্গা থানার সেবা গ্রহণকারী নারী, পুরুষ, বালক ও বালিকাদের অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করা হয়। ওই মূল্যায়নে পাওয়া মতামত ও সেবার ঘাটতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, সিভিএ কার্যক্রমের চারটি ধাপের শেষ ধাপ হলো ইন্টারফেস সভা। এ সভার মাধ্যমে সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতাদের মতামত এক জায়গায় এনে বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করা হয়। পাশাপাশি কোন সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়া হয়। এসব মতামতের ভিত্তিতেই শিশুদের জন্য আরও নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

সভায় শিশুদের মানসিক সহায়তার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। নির্যাতন, নিখোঁজ, পারিবারিক সংকট কিংবা অন্য কোনো ঝুঁকির মধ্যে পড়া শিশু থানায় এলে শুধু আইনি সহায়তা নয়, তার মানসিক অবস্থার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শিশুদের সঙ্গে সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের আরও সচেতন করার কথা বলা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (কাশিয়াডাঙ্গা) মীর মো. শাফিন মাহমুদ বলেন, শিশুদের জন্য থানাকে আরও নিরাপদ, সহায়ক ও আস্থার জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ কাজ করছে। কোনো সংকটে শিশু থানায় এলে যাতে ভয় না পায় এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পায়, সে জন্য পুলিশ সদস্যদের আরও সংবেদনশীল হতে হবে। সভায় উঠে আসা বাস্তবসম্মত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আশ্বাস দেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেশন অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার লোটাস চিসিম বলেন, শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিশু, পুলিশ, প্রশাসন ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সিভিএ কার্যক্রমের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবভিত্তিক পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফরহাদ আলী বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে থানা থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। শিশুদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও মানবিক ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের সচেতন করা হচ্ছে।

জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল কাদির বলেন, শিশুরা যাতে থানায় এসে নিজেদের নিরাপদ মনে করে, সে জন্য পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। শিশুদের মতামত ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে থানার সেবা সাজানো গেলে শিশুবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ আরও কার্যকর হবে।

রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু পুলিশের দায়িত্ব নয়; পরিবার ও সমাজের প্রত্যেক স্তরের মানুষকে এ কাজে যুক্ত হতে হবে। শিশুদের প্রয়োজন ও সমস্যার কথা শিশুদের কাছ থেকেই শুনে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হলে তা বেশি কার্যকর হবে। শিশুর অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতেও গণমাধ্যম দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজশাহী শহর এডিপির প্রোগ্রাম অফিসার রিপন হালদার। এ সময় সিনিয়র সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রাজশাহীর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নীলু বেগম, প্রোগ্রাম অফিসার ফিলিপ আরিন্দা, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মোসা. শারমিন সুরভী আক্তার ও অর্জুন রায়সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।


Post Views: 51

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।

Bangla Photocard Generatorv3.7