Dhaka ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
শিক্ষার্থীদের স্কাউটিংয়ের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: আসাদুল হাবিব দুলু শাহ মখদুম (রহ.) ক্বারিয়ানা, হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান রিটনের নিরাপত্তা জোরদারে নওগাঁ সীমান্তে নতুন ৩ বিজিবি ক্যাম্প রাজশাহী মহানগর জামায়াতের নতুন আমীরের শপথ গ্রহণ নগরীতে মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৯ নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন রাসিক প্রশাসক রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনারদের মতবিনিময় রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২এর উদ্বোধন

নিয়ামতপুরে বোরো ধানের ‘ঝুরা’ খড় বিক্রি করে লাভবান কৃষক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫৬ Time View






নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : পুরো ট্রাকটাই যেন আস্ত একটা খড়ের গাদা হয়ে গেছে। এই ‘চলমান’ খড়ের গাদা চলে যাবে সিরাজগঞ্জে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা কিনে নেবেন এই খড়। সেখানে গোখাদ্য হিসেবে এই বোরো ধানের ঝুরা (আঁটি বিহীন) খড়ের বেশ চাহিদা রয়েছে।

ধানের জেলা হিসেবে খ্যাত নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার কৃষকেরা এবার বোরো ধানের ঝুরা খড় বিক্রি করতে পেরে বেশ খুশি। দামও মোটামুটি ভালো পাচ্ছেন। কৃষকেরা জানিয়েছেন, সাধারণত আমন ধানের খড় জমিতেই শুকিয়ে আঁটি করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু বোরো ধানের ক্ষেত্রে কাঁচা ধানই মাড়াই করে নিতে হয়। তখন সেই ঝুরা খড় রোদে শুকিয়ে নিলে বিক্রি করা যায়।

গত কয়েকদিন আগে উপজেলার ভাবিচা গ্রামে একটি ট্রাকে তুলছিলেন খড় বোঝাই (লোড) করছিলেন খড় ব্যবসায়ী মাহাবুর রহমান। তিনি জানালেন, ভাবিচা ও শালবাড়ী গ্রামের কয়েকজন কৃষকের কাছ থেকে এই খড় কিনে নিয়েছেন। ট্রাকে লোড করে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর ও পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় নিয়ে গিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করবেন। একটি ট্রাকে ১২০-১৫০ মণ খড় বহন করা যায় বলে জানালেন।

তিনি আরও জানালেন, এখানে কৃষকদের কাছ থেকে ঝুরা খড় ‘ঠিকা’ ভাবে কিনে নেন। আর সিরাজগঞ্জ, পাবনা নিয়ে গিয়ে মণ হিসাবে বিক্রি করেন।

আরেক খড় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, সময়ভেদে খড়ের দাম উঠানামা করে। এখন খড়ের দাম তুলনামূলক কম। এখন এক বিঘার খড় মান ভেদে ৫০০-৮০০ টাকায় কেনা হচ্ছে। তিনিও সিরাজগঞ্জ ও পাবনাতে নিয়ে গিয়ে খড় বিক্রি করেন বলে জানালেন।

ভাবিচা গ্রামের কৃষক বাবুল প্রামানিক বলেন, আমার কয়েক বিঘার বোরো ধানের খড় শুকাতে পেরেছিলাম। সেগুলো গাদা করে রেখেছিলাম। বিক্রি করে ভালোই দাম পেলাম।

নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে গত বোরো মৌসুমে ২৩ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় অনেক কৃষকই কাঁচা খড় রোদে শুকিয়ে গাদা করে রেখেছিলেন। এখন সেই খড় বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।


Post Views: 4

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।

Bangla Photocard Generatorv3.7
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শিক্ষার্থীদের স্কাউটিংয়ের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: আসাদুল হাবিব দুলু

নিয়ামতপুরে বোরো ধানের ‘ঝুরা’ খড় বিক্রি করে লাভবান কৃষক

Update Time : ০২:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬






নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : পুরো ট্রাকটাই যেন আস্ত একটা খড়ের গাদা হয়ে গেছে। এই ‘চলমান’ খড়ের গাদা চলে যাবে সিরাজগঞ্জে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা কিনে নেবেন এই খড়। সেখানে গোখাদ্য হিসেবে এই বোরো ধানের ঝুরা (আঁটি বিহীন) খড়ের বেশ চাহিদা রয়েছে।

ধানের জেলা হিসেবে খ্যাত নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার কৃষকেরা এবার বোরো ধানের ঝুরা খড় বিক্রি করতে পেরে বেশ খুশি। দামও মোটামুটি ভালো পাচ্ছেন। কৃষকেরা জানিয়েছেন, সাধারণত আমন ধানের খড় জমিতেই শুকিয়ে আঁটি করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু বোরো ধানের ক্ষেত্রে কাঁচা ধানই মাড়াই করে নিতে হয়। তখন সেই ঝুরা খড় রোদে শুকিয়ে নিলে বিক্রি করা যায়।

গত কয়েকদিন আগে উপজেলার ভাবিচা গ্রামে একটি ট্রাকে তুলছিলেন খড় বোঝাই (লোড) করছিলেন খড় ব্যবসায়ী মাহাবুর রহমান। তিনি জানালেন, ভাবিচা ও শালবাড়ী গ্রামের কয়েকজন কৃষকের কাছ থেকে এই খড় কিনে নিয়েছেন। ট্রাকে লোড করে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর ও পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় নিয়ে গিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করবেন। একটি ট্রাকে ১২০-১৫০ মণ খড় বহন করা যায় বলে জানালেন।

তিনি আরও জানালেন, এখানে কৃষকদের কাছ থেকে ঝুরা খড় ‘ঠিকা’ ভাবে কিনে নেন। আর সিরাজগঞ্জ, পাবনা নিয়ে গিয়ে মণ হিসাবে বিক্রি করেন।

আরেক খড় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, সময়ভেদে খড়ের দাম উঠানামা করে। এখন খড়ের দাম তুলনামূলক কম। এখন এক বিঘার খড় মান ভেদে ৫০০-৮০০ টাকায় কেনা হচ্ছে। তিনিও সিরাজগঞ্জ ও পাবনাতে নিয়ে গিয়ে খড় বিক্রি করেন বলে জানালেন।

ভাবিচা গ্রামের কৃষক বাবুল প্রামানিক বলেন, আমার কয়েক বিঘার বোরো ধানের খড় শুকাতে পেরেছিলাম। সেগুলো গাদা করে রেখেছিলাম। বিক্রি করে ভালোই দাম পেলাম।

নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে গত বোরো মৌসুমে ২৩ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় অনেক কৃষকই কাঁচা খড় রোদে শুকিয়ে গাদা করে রেখেছিলেন। এখন সেই খড় বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।


Post Views: 4

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।

Bangla Photocard Generatorv3.7