Dhaka ১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নগরীতে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ২৩ দেশে সারের সংকট নেই, মজুত গত বছরের চেয়ে ৩৫ শতাংশ বেশি : কৃষিমন্ত্রী নগরীতে ৭ মাদক ব্যবসায়ী ও ১ মাদকসেবী গ্রেপ্তার ১০১ মোমবাতির আলোয় ঋত্বিকের স্মৃতি, অপেক্ষায় বসতভিটা সংরক্ষণ বাঘায় কোডিনযুক্ত সিরাপ ও বিদেশি মদ উদ্ধার বাগমারায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বিধবার পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও রাজশাহী রেঞ্জের নতুন ডিআইজি মীর আশরাফ আলী রামেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন ভূমিমন্ত্রী মিনু ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে হেফাজতে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ আধুনিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০০ কোটির অর্থপাচার মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন জ্যাকুলিন!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১৬০ Time View

অনলাইন ডেস্ক : বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের আইনি জটিলতা যেন কিছুতেই কাটছে না। ২০০ কোটি টাকার অর্থপাচার মামলায় এবার দিল্লির এক আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই মামলায় জ্যাকুলিনকে শুধু একজন প্রতারণার শিকার বা নির্দোষ ভাবার কোনো সুযোগ নেই বরং তাকে এই অপরাধের অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবেই দেখা উচিত।

সম্প্রতি দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টে মামলার শুনানি চলাকালে বিচারক এমন কঠোর পর্যবেক্ষণ দেন। আদালতের বক্তব্য, অন্যতম মূল হোতা ও কুখ্যাত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জ্যাকুলিনের সম্পর্ক কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রাথমিক তদন্তে যে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ ও নথিপত্র সামনে এসেছে, তাতে স্পষ্ট যে এই অর্থপাচার প্রক্রিয়ার একাধিক ঘটনায় জ্যাকুলিনের সক্রিয় ভূমিকা ও সংশ্লিষ্টতা ছিল।

তদন্তকারীদের সূত্র ধরে আদালত আরও জানায়, সুকেশ যে একটি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সে বিষয়ে জ্যাকুলিন সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিলেন এমন দাবি কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। তিনি সব জেনেবুঝেও সুকেশের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন।

এমনকি সুকেশের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও অপরাধের খবর প্রকাশ্যে আসার পরেও তাদের মধ্যকার যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়নি বলে তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর করা পূর্ববর্তী দাবির সঙ্গেই আদালতের এই পর্যবেক্ষণের মিল পাওয়া গেছে।

ইডির দাবি, জ্যাকুলিন পুরো বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং সুকেশের দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত কালো টাকা থেকে তিনি সরাসরি আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। ফলে আইনানুযায়ী তিনি এই মামলার একজন অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী। এর আগে, গত এপ্রিল মাসে এই আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে জ্যাকুলিন আদালতের কাছে একটি আবেদন করেছিলেন।

সেখানে তিনি নিজেকে সরকারি সাক্ষী করার অনুরোধ জানান এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে ইডি শুরু থেকেই জ্যাকুলিনের এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল। কেন্দ্রীয় এই সংস্থার মতে, জ্যাকুলিন নিজেকে যতটা নির্দোষ বলে দাবি করছেন, মামলার নথিপত্র ও প্রমাণ তার উল্টো কথাই বলছে। আদালতের সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে ইডির সেই দাবিই যেন আরও একবার সিলমোহর পেল।

Post Views: 112

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।

Bangla Photocard Generatorv3.7
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

নগরীতে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ২৩

২০০ কোটির অর্থপাচার মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন জ্যাকুলিন!

Update Time : ০১:৫৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক : বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের আইনি জটিলতা যেন কিছুতেই কাটছে না। ২০০ কোটি টাকার অর্থপাচার মামলায় এবার দিল্লির এক আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই মামলায় জ্যাকুলিনকে শুধু একজন প্রতারণার শিকার বা নির্দোষ ভাবার কোনো সুযোগ নেই বরং তাকে এই অপরাধের অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবেই দেখা উচিত।

সম্প্রতি দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টে মামলার শুনানি চলাকালে বিচারক এমন কঠোর পর্যবেক্ষণ দেন। আদালতের বক্তব্য, অন্যতম মূল হোতা ও কুখ্যাত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জ্যাকুলিনের সম্পর্ক কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রাথমিক তদন্তে যে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ ও নথিপত্র সামনে এসেছে, তাতে স্পষ্ট যে এই অর্থপাচার প্রক্রিয়ার একাধিক ঘটনায় জ্যাকুলিনের সক্রিয় ভূমিকা ও সংশ্লিষ্টতা ছিল।

তদন্তকারীদের সূত্র ধরে আদালত আরও জানায়, সুকেশ যে একটি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সে বিষয়ে জ্যাকুলিন সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিলেন এমন দাবি কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। তিনি সব জেনেবুঝেও সুকেশের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন।

এমনকি সুকেশের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও অপরাধের খবর প্রকাশ্যে আসার পরেও তাদের মধ্যকার যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়নি বলে তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর করা পূর্ববর্তী দাবির সঙ্গেই আদালতের এই পর্যবেক্ষণের মিল পাওয়া গেছে।

ইডির দাবি, জ্যাকুলিন পুরো বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং সুকেশের দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত কালো টাকা থেকে তিনি সরাসরি আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। ফলে আইনানুযায়ী তিনি এই মামলার একজন অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী। এর আগে, গত এপ্রিল মাসে এই আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে জ্যাকুলিন আদালতের কাছে একটি আবেদন করেছিলেন।

সেখানে তিনি নিজেকে সরকারি সাক্ষী করার অনুরোধ জানান এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে ইডি শুরু থেকেই জ্যাকুলিনের এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল। কেন্দ্রীয় এই সংস্থার মতে, জ্যাকুলিন নিজেকে যতটা নির্দোষ বলে দাবি করছেন, মামলার নথিপত্র ও প্রমাণ তার উল্টো কথাই বলছে। আদালতের সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে ইডির সেই দাবিই যেন আরও একবার সিলমোহর পেল।

Post Views: 112

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।

Bangla Photocard Generatorv3.7